fbpx

Blog

Lube Oil Filter

লুব অয়েল ফিল্টার বা ইঞ্জিন অয়েল ফিল্টার (Engine Oil Filter) কিনতে গিয়ে ভালো মন্দ যাচাই করেন নি এমন কাউকে পাওয়া অসম্ভব।আর যাচাই এই জন্যই করা, যেন প্রোডাক্ট টি ভালো হয়। কেননা লুব্রিকেটিং সিস্টেমে (Lubricating System) এই অয়েল ফিল্টার এর গুরুত্ব অনেক। এর উপরেই ডিপেন্ড করে ইঞ্জিনের রানিং কম্পোনেন্ট গুলোর কাজের দক্ষতা এবং তাদের আয়ু।

অয়েল পাম্প লুব অয়েল কে পাম্প করে ফিল্টারে সরবরাহ করে। এবার ফিল্টার সেই অয়েল কে রিফাইনিং করে বা পরিশধোন করে ইঞ্জিন এর বিভিন্ন অংশে পাঠায়। এই ফিল্টার এর মধ্যে খুবই সূক্ষ্ম কিছু ছিদ্র যুক্ত ফিল্টার পেপার আছে। সেই পেপার অয়েল কে অনেক সূক্ষ্ম আকারের ময়লা থেকেও মুক্ত করে। 

অয়েল এর মধ্যে অনেক সময় ময়লা, ধুলা বালি বা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র লোহার গুড়ো থাকে। যা ইঞ্জিন এর বিভিন্ন কম্পোনেন্ট এর জন্য এবং বিয়ারিং এর জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারন। আর ফিল্টার এই ধরনের ক্ষতিকর অপদ্রব্য থেকে ইঞ্জিন কে রক্ষা করে। লুব অয়েল ফিল্টার দুই প্রকার হয়।

  • বাইপাস ফিল্টার।
  • ফুল ফ্লো ফিল্টার। 

বাইপাস ফিল্টার হচ্ছে সেই ধরনের ফিল্টার গুলো যেগুলো অয়েল পাম্পের আংশিক অয়েলকে ছেঁকে পরিস্কার করে এবং বাকি গুলো সরাসরি ইঞ্জনে চলে যায়। আর যেই ফিল্টার গুলো পাম্পের পুরো অয়েল কেই পরিস্কার করে ইঞ্জিনে পাঠায় সেই গুলো ফুল ফ্লো ফিল্টার। তাহলে বোঝাই যাচ্ছে কোনটার কোয়ালিটি ভালো। 

ফুল ফ্লো ফিল্টারে স্প্রিং লোডেড বাইপাস ভালভ থাকে। যেকোনো সময় ফিল্টারের স্বাভাবিক প্রবাহে বাঁধা আসলে ইঞ্জনে লুব অয়েল এর ঘাটতি দেখা দেয়। ময়লা জমার কারনেই অবশ্য এই বাঁধা আসে। তো এই অবস্থায় সেই ঘাটতি পুরনের জন্য ফিল্টারের বাইপাস ভালভ টি খুলে যায়। এতে করে অয়েল সরবরাহ ঠিক থাকে। 

এই ফিল্টার একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ব্যবহারের পর পরিবর্তন করতে হয়। দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ফিল্টারে ময়লা জমে তা বন্ধ হয়ে যায়। কখন বুঝবেন যে পরিবর্তন করতে হবে, তার একটা সুন্দর ট্রিক্স (Tricks) আছে। সেটা হল ইঞ্জিন চালু অবস্থায় যদি  ফিল্টার গরম অনুভূত হয় তাহলে নিশ্চিত যে ফিল্টার ভালো আছে এবং অয়েল ফ্লো ( Oil Flow) চলছে। 

আর যদি ইঞ্জিন চলন্ত অবস্তায় অয়েল ফিল্টার ঠাণ্ডা অনুভূত হয় তাহলে বুঝতে হবে ফিল্টার এর মধ্য দিয়ে অয়েল প্রবাহ হচ্ছে না। অর্থাৎ ফিল্টার খারাপ হয়ে গেছে। লুব অয়েল ফিল্টার ( Lube oil filter)  খারাপ হয়ে গেলে কখনই তা পরিবর্তন না করে গাড়ি চালানো ঠিক না। সাধারনত ৪০০ কিলোমিটার গাড়ি চালানোর পর এই ফিল্টার পরিবর্তন করতে হয়। তবে গাড়ির প্রস্তুত কারক প্রতিষ্ঠান থেকে রিকোমেন্ড করা সময়েই পরিবর্তন করা ভালো। 

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on pinterest
Pinterest

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Some Recent Posts

Car

Engine not Starting

আজ গাড়ির একটি কমন সমস্যা নিয়ে (Vehicle Common Problem) আলোচনা করা যাক। যেই সমস্যাটিতে পড়েন নি এমন খুব কম মানুষ ই আছেন। আর সেটি হল

Read More »
Car

Car Air-condition system

চিন্তা করে দেখুনতো,গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছেন দীর্ঘক্ষণ কিন্তু আপনার গাড়ির এসি টি নষ্ট বা কাজ করছে না। কেমন হতো সেটি? চিন্তা করতেই দম বন্ধ হওয়া একটা

Read More »
Car

Piston Rings

আমরা সকলেই জানি গাড়ীর ইঞ্জিনের সিলিন্ডারের ভিতরে পিষ্টন উঠা নামা করে এবং সেখানে চারটি ষ্ট্রোক সম্পন্ন হয়। সেগুলো হলো সাকশান, কম্প্রেশন, পাওয়ার এবং এগজষ্ট। আর

Read More »