fbpx

Blog

Used Car Inspection Tips (Suspension)

রিকন্ডিশন্ড গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে অনেক গুলো বিষয় চেক আপ এর প্রয়োজন হয়। ইঞ্জিন এর বিষয়টি আমরা আগেই জেনেছি। আর এর পরেই বেশ গুরুত্বপুর্ন্য অংশ সাসপেনশন (Suspensio)। তাই আজ আমরা জানবো ব্যবহৃত গাড়ি কেনার আগে কিভাবে সাসপেনশন ইন্সপেকশন করতে হয়।  

আমরা সাধারনত দুই ধরনের সাসপেনশন এর গাড়ি আমাদের বাজারে দেখতে পাই। ইন্ডিপেন্ডেন্ট সাসপেনশন (Independent Suspension) এবং নন ইন্ডিপেনডেন্ট সাসপেনশন (Non Independent Suspension)। ইন্ডিপেনডেন্ট সাসপেনশন সিষ্টেমে যদি গাড়ির কোন একটি চাকা গর্তে পড়ে তাহলে যে ঝাঁকুনিটি হবে তা সেই চাকার সাসপেনশন এর উপরেই থাকবে। অন্যদিকে নন ইন্ডিপেনডেন্ট সাসপেনশন সিষ্টেমে সেই ঝাঁকুনিটি অন্য পাশেও ছড়িয়ে যাবে। 

সাসপেনশন মূলত নানান রকমের পার্টস (Paarts) এর একটি কম্বিনেশন। এতে আপার এবং লোয়ার কন্ট্রোল আর্ম, টাই রড, বল জয়েন্ট, শক এ্যাবজোর্বার (Shock absorber) ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আর এই সবগুলোই ষ্টিয়ারিং এর সাথে সংযোগ প্রাপ্ত। তাই ইন্সপেকশন এর শুরুতেই ষ্টিয়ারিং লক খুলে  নিতে হবে। এতে করে ষ্টিয়ারিং খুব  সহজেই মুভ করবে। এবার ষ্টিয়ারিং কে ফ্রি ভাবে ডানে এবং বামে ঘুরাতে হবে হবে এবং চেক করতে হবে  কোন ধরনের নয়েজ আসছে কিনা। যদি এসে থাকে তাহলে বুঝতে হবে শ্যাফটে কোন ধরনের সমস্যা আছে। হতে পারে সেটি লুব্রিকেন্ট কম হবার জন্যেও হতে পারে। 

প্রত্যেক গাড়ির টায়ার সেই গাড়ির সাসপেনশন সম্পর্কে বেশ কিছু ইনফরমেশন (Information) দিয়ে থাকে। তাই গাড়ির প্রত্যেকটি চাকাকে খালি হাতে উপর থেকে নিচে এবং নিচ থেকে উপরে হাত বুলিয়ে দেখতে হবে এবং ডান পাশ থেকে বাম পাশ এভাবে হাত বুলিয়ে দেখতে হবে। এতে যদি কোন অমসৃন অনুভুতি আসে তাহলে বুঝতে হবে গাড়ির বল জয়েন্ট, টাই রড খারাপ আছে। টায়ারকে খুব ভালো ভাবে দেখতে হবে। যদি দেখা যায় টায়ার এর বাইরের দিক কিংবা ভিতরের দিক ক্ষয় আছে তাহলে বুঝতে হবে গাড়ির ক্যাষ্টার এ্যঙ্গেল অথবা ক্যাম্বার ঠিক নেই। 

গাড়ির শক এ্যাবজোর্বারকে চেক করার জন্য একটি বেশ সুন্দর টেকনিক আছে। তাহল গাড়ির সামনের ফেন্ডারে দুই হাত রেখে সজোরে গাড়িকে ঝাঁকুনি দিতে হবে। এতে করে গাড়ি বাউন্স হতে থাকবে। তবে হ্যাঁ, ফেন্ডারে হাত দেবার সময় ডান হাত এবং বাম হাত ফেন্ডারের দুই পাশে রাখতে হবে। মাঝ বরারর রাখলে ফেন্ডার মচকে যেতে পারে। গাড়ি কে ঝাঁকুনি দিয়ে ছেড়ে দিতে হবে। ছেড়ে দেবার পর গাড়ি যখন বাউন্স হতে থাকবে খেয়াল করে দেখতে হবে গাড়ি কতটি বাউন্স হচ্ছে। যদি দুই এর বেশি সংখ্যক বার বাউন্স হতে দেখা যায় তাহলে বুঝতে হবে শক এ্যাবজোর্বারে সমস্যা আছে। 

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on pinterest
Pinterest

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Some Recent Posts

Car

Engine not Starting

আজ গাড়ির একটি কমন সমস্যা নিয়ে (Vehicle Common Problem) আলোচনা করা যাক। যেই সমস্যাটিতে পড়েন নি এমন খুব কম মানুষ ই আছেন। আর সেটি হল

Read More »
Car

Car Air-condition system

চিন্তা করে দেখুনতো,গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছেন দীর্ঘক্ষণ কিন্তু আপনার গাড়ির এসি টি নষ্ট বা কাজ করছে না। কেমন হতো সেটি? চিন্তা করতেই দম বন্ধ হওয়া একটা

Read More »
Car

Piston Rings

আমরা সকলেই জানি গাড়ীর ইঞ্জিনের সিলিন্ডারের ভিতরে পিষ্টন উঠা নামা করে এবং সেখানে চারটি ষ্ট্রোক সম্পন্ন হয়। সেগুলো হলো সাকশান, কম্প্রেশন, পাওয়ার এবং এগজষ্ট। আর

Read More »