fbpx

Blog

SI (Petrol) Engine

ইঞ্জিন বলতে আমরা যা বুঝি তা হলো, যে জ্বালানিকে শক্তি হিসেবে ব্যবহার করে তা থেকে যান্ত্রিক শক্তি পাওয়া যায়। সাধারণত দুই ধরনের ইঞ্জিন হয়। (এস আই ) SI অর্থাৎ স্পার্ক ইগনিশন ইঞ্জিন এবং (সি আই) CI  অর্থাৎ কম্প্রেসড ইগনিশন ইঞ্জিন। সহজভাবে বলতে গেলে বোঝায়, গ্যাসোলিন ইঞ্জিন এবং ডিজেল ইঞ্জিন। আজ আমরা তাই গ্যাসোলিন ইঞ্জিন নিয়ে আলোচনা করবো।

প্রতিটি ইঞ্জিন ই চার টি ঘাত ( Four Stroke) সম্পন্ন করে সেগুলো হল:

  •  গ্রহণ।
  • সংকোচন।
  • প্রজ্জ্বলন।
  • নির্গমন। 

বা,

  • সাকশন। (Suction)
  • কম্প্রেশন। (Compression)
  • পাওয়ার। (Power)
  • এগজস্ট। (Exhaust)

গ্যাসোলিন ইঞ্জিন এ শক্তি উৎপাদন এর জন্য স্পার্ক প্লাগ (Spark Plug) ব্যবহার করা হয়। এই জন্যই এই ইঞ্জিনকে এস আই ইঞ্জিন বা স্পার্ক ইগনিশন ইঞ্জিন বলা হয়।

যেভাবে কাজ করে:

আমরা প্রথমেই জেনেছি ইঞ্জিনে চারটি ঘাত সম্পন্ন হয়। সেগুলো হল সাকশন, কম্প্রেশন, পাওয়ার, এগজস্ট।

সাকশন স্ট্রোকে ইনটেক ভালভ খুলে যায় এবং পিস্টন টি ডি সি TDC ( টপ ডেড সেন্টার) থেকে বি ডি সি BDC ( বটম ডেড সেন্টার) এ যায় এবং সাথে সাথে ইনটেক ভালভ (Intake Valve) দিয়ে বাতাস এবং জ্বালানির মিশ্রণ প্রবেশ করে।

তার পর কম্প্রেশন স্ট্রোক এ এসে ইনটেক ভালভ বন্ধ হয়ে যায় এবং পিস্টন BDC থেকে আবার TDC তে চলে যাবে। এতে করে বাতাস এবং যে জ্বালানি এসেছিল তা কম্প্রেসড বা সংকুচিত হয়ে যায়। এই কম্প্রেশন স্ট্রোক শেষ হবার ঠিক সামান্য আগেই স্পার্ক প্লাগ জ্বলে উঠে । যার ফলে কম্বাশন চেম্বার এ জ্বালানির সাথে স্পার্ক এর বিস্ফোরণ হয় এবং পিস্টন পুনরায় TDC থেকে BDC তে চলে আসে। ফলে এখান থেকে শক্তি উৎপন্ন হয়। যা ইঞ্জিনে আউটপুট হিসেবে যায়।

এখন যে ধোয়া টি সৃষ্টি হয় তাতে পিস্টন আবার BDC থেকে TDC তে যায় এবং যাবার ফলে এগজস্ট ভালভ খুলে যায়। ফলে ধোয়া এগজস্ট মেনিফোল্ড হয়ে বাইরে চলে যায়।

এস আই ইঞ্জিনের সুবিধা:

  • এই ইঞ্জিন টি ডিজেল ইঞ্জিন এর তুলনায় অনেক হালকা।
  • পাওয়ার আউটপুট ডিজেল ইঞ্জিন এর তুলনায় বেশী।
  • মেইনটেন্যান্স খরচ কম।
  • শব্দ অনেক কম হয়।
  • স্পার্ক প্লাগ ব্যবহার এর কারণে শীত কালে ইঞ্জিন স্টার্ট করতে কোন সমস্যা হয় না।

এই ইঞ্জিনে সুবিধা যেমন আছে, কিছু অসুবিধাও আছে। তাই কিছু অসুবিধাও জেনে নেয়া যাক।

এস আই ইঞ্জিন এর অসুবিধা:

  • যেহেতু ডিজেল এর তুলনায় পেট্রোল এর দাম বেশী তাই জ্বালানী খরচ বেশী হয়।
  • ডিজেল এর তুলনায় মাইলেজ অনেক কম পাওয়া যায়।
  • এস আই ইঞ্জিন এগজোস্ট এ অনেক বেশি কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন করে। যা পরিবেশের জন্য অনেক ক্ষতিকর।
Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on pinterest
Pinterest

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Some Recent Posts

Car

What Is Gasoline

গাড়িতে ফুয়েল নেবার জন্য রেপুটেড ফিলিং স্টেশন খুঁজেন না এমন কাউকে পাওয়া ভারী কষ্টকর। কেন খোজা হয়। কারণ, ভালো মানের গ্যাসোলিন বা জ্বালানি গাড়ির ইঞ্জিন

Read More »
Car

Engine not Starting

আজ গাড়ির একটি কমন সমস্যা নিয়ে (Vehicle Common Problem) আলোচনা করা যাক। যেই সমস্যাটিতে পড়েন নি এমন খুব কম মানুষ ই আছেন। আর সেটি হল

Read More »
Car

Car Air-condition system

চিন্তা করে দেখুনতো,গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছেন দীর্ঘক্ষণ কিন্তু আপনার গাড়ির এসি টি নষ্ট বা কাজ করছে না। কেমন হতো সেটি? চিন্তা করতেই দম বন্ধ হওয়া একটা

Read More »