fbpx

Blog

Periodic Maintenance

আমাদের প্রত্যেকেরই নিয়মিত ঘুমাতে হয়,ঘুম থেকে উঠতে হয় , নিয়ম মেনে তিন বেলা খেতে হয় তবেই না আমরা সুস্থ থাকি। গাড়ি যেটা কিনা সম্পূর্ণই যান্ত্রিক । তাই এরও কিন্তু নিয়ম করে কিছু কাজ করতে হয় তবেই প্রিয় গাড়িটি ফিট থাকে। আর এই প্রক্রিয়াটিকে আমরা বলে থাকি পিরিওডিক মেইনটেনেন্স (Periodic Maintenance) অথবা জেনারেল সার্ভিসিং (General Servicing)। পিরিওডিক মেইনটেনেন্স এর মধ্যে পড়ে ইঞ্জিন ওয়েল চেঞ্জ,ওয়েল ফিল্টার চেঞ্জ, এয়ার ফিল্টার চেঞ্জ, ব্রেক সিস্টেম চেকআপ, কুলিং সিস্টেম চেকআপ, ব্যাটারি হেলথ চেকআপ।

১। ইঞ্জিন অয়েল চেঞ্জ (Engine Oil Change): গাড়ির জন্য ইঞ্জিন অয়েল খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে আমাদের দেশে যে ধারণাটি আছে সেটা কিন্তু ঠিক না ।যেমন গাড়ির ইঞ্জিন ওয়েল একদম কালো হয়ে গেলে তারপরে সেটা চেঞ্জ করা হয়।কিন্তু এটা মোটেই ঠিক না। প্রত্যেকটি গাড়ি বা মেনুফেকচারিং কোম্পানির একটা নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া থাকে যে এই ইঞ্জিনটি এত কিলোমিটার পর পর ইঞ্জিন অয়েল চেঞ্জ করতে হয়। কিন্তু সেটা মানা হয় না। আমাদের দেশের ক্ষেত্রে ৩ হাজার কিলোমিটার চললে গাড়ির ইঞ্জিন অয়েল চেঞ্জ করার নিয়ম আছে।

২। এয়ার ফিল্টার (Air Filter): বিশুদ্ধ বাতাস আমাদের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। তেমনি গাড়ির ইঞ্জিনের জন্যও কিন্তু বিশুদ্ধ বাতাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর এই বাতাস টি এয়ার ফিল্টার এর মাধ্যমে বিশুদ্ধ হয়ে তারপর সেটি ইঞ্জিন এ যায়। তাই সঠিক সময়ে এয়ার ফিল্টার চেঞ্জ করা দরকার।

৩। ব্রেক সিস্টেম চেকআপ (Brake System Check up): ব্রেক সিস্টেম গাড়ির জন্য খুবই ক্রিটিক্যাল এবং একই সাথে গুরুত্তপূর্ণ পিরিওডিক মেইনটেনেন্স এর মধ্যে একটি। ব্রেক প্যাড এ ধুলো জমার কারণে নষ্ট হতে পারে, ক্ষয়ে যেতে পারে, কর্দমাক্ত রাস্তার কারণে ব্রেক ড্রাম জ্যাম হয়ে যেতে পারে। তাই নিয়মিত এইসব চেক আপ না করলে মারাত্মক দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে।

৪। কুলিং সিস্টেম চেকআপ (Cooling System Check up): কুলিং সিস্টেম গুরুত্তপূর্ণ কিছু চেক এর মধ্যে একটি মাত্র চেক যেটা না করলে ইঞ্জিন সিজ বা নষ্ট হয়ে যেতে পারে । তা হল রেডিয়েটর এর পানির পরিমান। এইটা সবসময়ই খেয়াল রাখতে হয়। এছাড়া কুল্যান্ট, হোজ পাইপ এইসব চেক করতে হয়।

৫। ব্যাটারি (Bettery): ইঞ্জিন কে স্টার্টার মোটর দিয়ে স্টার্ট করার জন্য সর্বপ্রথম যার চেকআপ দরকার সেটা হল ব্যাটারি। ব্যাটারি এর ইলেকট্রোলইট এর পরিমাণ ঠিক আছে কিনা, চার্জ আছে কিনা বা ভোল্টেজ ১২.৫ থেকে ১২.৬ এর মধ্যে আছে কিনা এইসব কিছু প্রতি ২ মাস পর পর চেক আপ করা দরকার।

উপরোক্ত বিষয়গুলো যদি ঠিকমতো চেকআপ এবং মেনটেনেন্স করা না হয় তাহলে যেকোনো সময় যেকোনো ধরনের বিপদ হতে পারে। তবে একজন ব্যক্তির বা একটি কোম্পানির যদি অনেকগুলো গাড়ি থাকে সে ক্ষেত্রে একজনের জন্য যেমন এইসব চেক করা যেমন একটু কষ্টের তেমনি চিন্তার। 

তাই এই সমস্যার জন্য যান্ত্রিক এর আছে এক অভাবনীয় সমাধান। বর্তমান যুগ প্রুযুক্তির যুগ। তাই যান্ত্রিক এর প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আপনার সকল গাড়ির সকল সমাধান নিয়ে এসেছে একটি অ্যাপ এই। যান্ত্রিক ফ্লিট ব্যবহার করে আপনি যতটি ইচ্ছে গাড়ি অ্যাড করে তাদের সার্ভিস ক্যালেন্ডার সাজিয়ে নিতে পারবেন। এতে করে পিরিয়ডিক মেইনটেন্যান্স এর সময় যান্ত্রিক ফ্লিট ই আপনাকে জানিয়ে দেবে কোন গাড়িটির কোন কাজ কোন সময়ে করতে হবে। পিরিয়ডিক মেইনটেন্যান্স ছাড়াও একটি গাড়ির পেপার ওয়ার্ক থেকে শুরু করে সকল কাজ আপনি এই যান্ত্রিক এ করতে পারবেন। তাই যান্ত্রিক এর মোটোই হচ্ছে ‘ গাড়ি আপনার, চিন্তা যান্ত্রিকের’

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on pinterest
Pinterest

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Some Recent Posts

Car

Engine not Starting

আজ গাড়ির একটি কমন সমস্যা নিয়ে (Vehicle Common Problem) আলোচনা করা যাক। যেই সমস্যাটিতে পড়েন নি এমন খুব কম মানুষ ই আছেন। আর সেটি হল

Read More »
Car

Car Air-condition system

চিন্তা করে দেখুনতো,গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছেন দীর্ঘক্ষণ কিন্তু আপনার গাড়ির এসি টি নষ্ট বা কাজ করছে না। কেমন হতো সেটি? চিন্তা করতেই দম বন্ধ হওয়া একটা

Read More »
Car

Piston Rings

আমরা সকলেই জানি গাড়ীর ইঞ্জিনের সিলিন্ডারের ভিতরে পিষ্টন উঠা নামা করে এবং সেখানে চারটি ষ্ট্রোক সম্পন্ন হয়। সেগুলো হলো সাকশান, কম্প্রেশন, পাওয়ার এবং এগজষ্ট। আর

Read More »