fbpx

Blog

CI (Diesel) Engine

সি আই (Compression Ignition)( কম্প্রেশন ইগনিশন) বলতে বোঝায় যে সকল ইঞ্জিন কম্বাশন চেম্বার এ ইনজেকশন এর মাধ্যমে জ্বালানি প্রয়োগ করে শক্তি উৎপাদন করে। অর্থাৎ সি আই ইঞ্জিন এর মত এখানে স্পার্ক প্লাগ এর প্রয়োজন হয় না। মূলত ডিজেল ইঞ্জিন কে এই সি আই ইঞ্জিন বলা হয়। তাই আজ এই ডিজেল ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে, এই ইঞ্জিনে কি কি কম্পনেন্ট ব্যবহার করা হয় তা নিয়ে জানবো।

জেনে নেয়া যাক কি কি ব্যবহার করা হয়:

প্রথমেই আসে ইঞ্জিন হাউজিংয়ের কথা।যেখানে ইঞ্জিন হেড,ইঞ্জিন ব্লক, ক্রাঙ্ক কেস ব্যবহার করা হয়। এরপর আসে পিস্টন যেখানে ৩ টি রিং থাকে প্রথম দুইটি অয়েল স্ক্রেপার রিং এবং শেষের টা কম্প্রেশন রিং। পিস্টন এর মাঝে একটি পিস্টন পিন লাগানো থাকে। সাথে থাকে কানেক্টিং রড এবং এর সাথে থাকে ক্রাংশ্যাফট। এটি  ইঞ্জিনের আউটপুট শ্যাফট এর মত কাজ করে।

এরপর ব্যবহার করা হয় ফুয়েল ইঞ্জেক্টর যা কম্বশন চেম্বার এ জ্বালানি স্প্রে করতে ব্যবহার করা হয়। আর এই জ্বালানি স্প্রে করা হয় বলেই একে সি আই ইঞ্জিন বলা হয়। এরপর আসে ইনটেক এবং এগজস্ট ভালভ যেগুলো ক্যামশ্যাফট এর ক্যাম দ্বারা পরিচালিত হয়।

যেভাবে কাজ করে:

ইঞ্জিন হেড ইঞ্জিন ব্লক এবং কৃঙ্কেস মিলে একটি সিলিন্ডার হাউজ তৈরি করা হয় এখানে ইঞ্জিন হেড ইঞ্জেক্টর ইনটেক মাল একজস্ট ভালো লাগানো হয় এবং এটি ক্যামশ্যাফট এর ক্যামেরা একচুয়েট করা হয় ইঞ্জিন ব্লক পিস্টন লাগানো হয় এবং এই পিস্টনের পিনের সাথে  কানেক্টিং রড লাগানো হয়। কানেক্টিং রড এর বিগ এন্ড বিয়ারিং এর সাথে ক্রণকশাফট লাগানো থাকে। এখন আমরা জানি যে, ইঞ্জিনে ৪ টি স্ট্রোক থাকে।

  • সাকশন (Suction)
  • কম্প্রেশন (Compression)
  • পাওয়ার (Power)
  • এগজস্ট (Exhaust)

এই ইঞ্জিনে ইনটেক ভালভ (Intake valve) খুলে যাওয়া মাত্র পিস্টন TDC টি ডি সি ( টপ ডেড সেন্টার) থেকে BDC বি ডি সি ( বটম ডেড সেন্টার) এ যায় এবং কম্বাশন চেম্বার এ বিশুদ্ধ বাতাস প্রবেশ করে। এরপর কম্প্রেশন স্ট্রোকে ইনটেক ভালভ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে পিস্টন বি ডি সি থেকে টি ডি সি তে যায় এবং ভিতরে প্রবেশকৃত বাতাস সংকুচিত হয় এবং তাপমাত্রা বাড়ে। এখন এই কম্প্রেশন স্ট্রোক শেষ হবার ঠিক আগেই ইনজেক্টর (Injector) এর মাধ্যমে জ্বালানি বা ডিজেল স্প্রে করা হয়। যার ফলে কম্বাসন চেম্বার এ বিস্ফোরণ ঘটে এবং শক্তি উৎপন্ন হয়।

ফলে পিস্টন টি ডি সি থেকে বি ডি সি তে চলে যায় এবং এটি ক্র্যাঙ্কশ্যাফট এ আউটপুট হিসেবে যায়। পাওয়ার স্ট্রোক শেষ হবার পর যে ধোয়া উৎপন্ন হয়, পিস্টন বি ডি সি থেকে টি ডি সি তে যাবার ফলে এগজস্ট ভালভ খুলে যায় । ফলে ধোয়া এগজস্ট মেনিফোল্ড দিয়ে বের হয়ে যায়।

সি আই ইঞ্জিন এর সুবিধা: 

  • জ্বালানী খরচ কম।
  • ফুয়েল ইফিসিয়েন্সি বেশি।
  • মাইলেজ বেশি পাওয়া যায়।
  • এগজস্ট এ যে পরিমান কার্বন মনো অক্সাইড ও কার্বন ডাই অক্সাইড বের হয় তা এস আই ইঞ্জিন এর চেয়ে কম ফলে পরিবেশের জন্য ও ক্ষতি কম।

সি আই ইঞ্জিন এর ও কিছু অসুবিধা আছে তাই জেনে নেয়া যাক কিছু অসুবিধা।

সি আই ইঞ্জিন এর অসুবিধা:

  • এটি এস এই (SI) ইঞ্জিনের তুলনায় বড় হাওয়ায় ছোট গাড়িতে ব্যবহার করা যায় না।
  • মেইনটেন্যান্স খরচ বেশী।
  • শব্দ অনেক বেশী হয়।
  • স্পার্ক এর ব্যবহার না থাকায় শীতকালে ইঞ্জিন স্টার্ট হতে চায় না।
Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on pinterest
Pinterest

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Some Recent Posts

Car

Engine not Starting

আজ গাড়ির একটি কমন সমস্যা নিয়ে (Vehicle Common Problem) আলোচনা করা যাক। যেই সমস্যাটিতে পড়েন নি এমন খুব কম মানুষ ই আছেন। আর সেটি হল

Read More »
Car

Car Air-condition system

চিন্তা করে দেখুনতো,গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছেন দীর্ঘক্ষণ কিন্তু আপনার গাড়ির এসি টি নষ্ট বা কাজ করছে না। কেমন হতো সেটি? চিন্তা করতেই দম বন্ধ হওয়া একটা

Read More »
Car

Piston Rings

আমরা সকলেই জানি গাড়ীর ইঞ্জিনের সিলিন্ডারের ভিতরে পিষ্টন উঠা নামা করে এবং সেখানে চারটি ষ্ট্রোক সম্পন্ন হয়। সেগুলো হলো সাকশান, কম্প্রেশন, পাওয়ার এবং এগজষ্ট। আর

Read More »