fbpx

Blog

Car Air-condition system

চিন্তা করে দেখুনতো,গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছেন দীর্ঘক্ষণ কিন্তু আপনার গাড়ির এসি টি নষ্ট বা কাজ করছে না। কেমন হতো সেটি? চিন্তা করতেই দম বন্ধ হওয়া একটা অনুভূতি হচ্ছে তাইনা? আসলে এয়ারকন্ডিশনিং সিস্টেমটা (Air Conditioning System) এমন ই যে গাড়ির ভেতরে এটি আপনাকে যেমন প্রাণবন্ত রাখবে তেমনি সতেজ রাখবে। তাই আজ আমরা গাড়ির এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব।

ভেহিকেল এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেম:  এটি সাধারণত এসি সিস্টেমের (AC System) মতোই যেটা কিনা গাড়ির ভিতর কে ঠান্ডা রাখে। কিন্তু এখানে সকল কম্পোনেন্ট গুলো দেখতে একটু ছোট হয়। এখানকার ইভাপোরেটর, এক্সপানশন এগুলোর ধর্ম ও একই। কার এয়ারকন্ডিশনিং সিষ্টেম ইঞ্জিন থেকে শক্তি নিয়ে থাকে।

মেইন কম্পোনেন্ট: 

  ১। কম্প্রেসার।

  ২। এক্সপানসান ভালভ।

  ৩। কনডেনসার।

  ৪। ইভাপরেটর।

  ৫। ড্রায়ার বা রিসিভার। 

চলুন দেখে নেই এইসব কম্পোনেন্ট গুলোর কাজ। 

১। কম্প্রেসার: এটিকে এসি সিস্টেমের হার্ট বলা হয়ে থাকে। এটি রেফ্রিজারেন্ট প্রেসার কে বাড়িয়ে দেয়। এতে করে ভেপার রেফ্রিজারেন্ট লিকুইড রেফ্রিজারেন্টে কনভার্ট হয় এবং কনডেনসারে ফ্লো হয়।   

২। কনডেনসার: মজার ব্যাপার হল এটি দেখতে রেডিয়েটরের মত। এর কাজ হল কম্প্রেসার যেই হাই প্রেসার লিকুইড রেফ্রিজারেন্ট পাঠায় সেটা কে কমিয়ে দেয়া।

৩। এক্সপানসন ভালভ:  গাড়ির এয়ারকন্ডিশন সিস্টেমে এক্সপানশন ভালভ এই জন্যই ব্যবহার করা হয় যে, এটি কন্ডেন্সার থেকে আসা হাই প্রেসার লো টেম্পারেচার লিকুইড রেফ্রিজারেন্ট কে সরিয়ে দেয় বা এক্সপান্ড করতে পারে। এতে করে এই রেফ্রিজারেন্ট এর প্রেশার কম হয়ে যায় এবং ইভাপোরেটর এ পাঠানো হয়।

৪। ইভাপরেটর: এটা দেখতে হিট এক্সচেঞ্জার এর মত। এটা এসি বেল্ট এর ঠিক পেছনেই থাকে। এটি গাড়ির প্যাসেঞ্জার কম্পার্টমেন্ট থেকে গরম বাতাস নেয় এবং এক্সপানশন থেকে যে লিকুইড রেফ্রিজারেন্ট আসে তা ভেপার বা জলীয়বাষ্প তে কনভার্ট হয়। ইভাপরেট এ একটি ব্লোয়ার ফ্যান লাগানো থাকে যার মাধ্যমে এই ঠান্ডা জলীয়বাষ্প গাড়ির কেবিনে যায় এবং কেবিন কে ঠান্ডা রাখে।

৫। রিসিভার বা ড্রায়ার: অটোমোবাইল এয়ারকন্ডিশন সিস্টেমে রিসিভার বা ড্রায়ার সেফটি ক্যাচ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কারণ কম্প্রেসার এর ভেতরে কিছু লিকুইড যেতে পারে যাতে করে কম্প্রেসর ড্যামেজ হয়ে যেতে পারে। এইজন্য ইভাপোরেটর এবং কম্প্রেসার এর মাঝে ড্রায়ার কে বসানো হয়। যাতে করে কিছু পরিমাণ লিকুইড থাকলেও তা কনভার্ট হয়ে কম্প্রেসার এ যায়। 

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on pinterest
Pinterest

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Some Recent Posts

Car

Engine not Starting

আজ গাড়ির একটি কমন সমস্যা নিয়ে (Vehicle Common Problem) আলোচনা করা যাক। যেই সমস্যাটিতে পড়েন নি এমন খুব কম মানুষ ই আছেন। আর সেটি হল

Read More »
Car

Car Air-condition system

চিন্তা করে দেখুনতো,গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছেন দীর্ঘক্ষণ কিন্তু আপনার গাড়ির এসি টি নষ্ট বা কাজ করছে না। কেমন হতো সেটি? চিন্তা করতেই দম বন্ধ হওয়া একটা

Read More »
Car

Piston Rings

আমরা সকলেই জানি গাড়ীর ইঞ্জিনের সিলিন্ডারের ভিতরে পিষ্টন উঠা নামা করে এবং সেখানে চারটি ষ্ট্রোক সম্পন্ন হয়। সেগুলো হলো সাকশান, কম্প্রেশন, পাওয়ার এবং এগজষ্ট। আর

Read More »